FiFa World Cup 2026 🏆

00

Day

00

Hours

00

Minutes

00

Seconds

নাহিদ-অ্যারনের ছোঁয়াতে ৯ বছর পর শিরোপা জিতলো জালমি

 


নাহিদ-অ্যারনের ছোঁয়াতে ৯ বছর পর শিরোপা জিতলো জালমি

শুধুমাত্র ফাইনালের জন্য নাহিদ রানাকে উড়িয়ে নিয়ে যায় পেশাওয়ার জালমি। তাদের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, মাঠেই তার প্রমাণ দিলেন এই বাংলাদেশি।


তার আগুনঝরা বোলিংয়ের সাথে অ্যারন হার্ডির সমানতালে পারফরম্যান্সে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ১৮ ওভারে মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে দিয়েছে পেশাওয়ার জালমি।

মামুলি সেই লক্ষ্য ২৮ বল আগে ৫ উইকেট হারিয়ে ছুঁয়ে ফেলে জালমি।


সেখানেও বড় অবদান অ্যারনের। এই জয়ে নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজি হায়দরাবাদ কিংসমেনকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল পেশাওয়ার জালমি।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রবিবার পিএসএলের ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসমেনের দেওয়া ১৩০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে অবশ্য কঠিন চাপে পড়ে যায় জালমি। পাওয়ার প্লের আগেই ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে যাওয়ার অবস্থা হয়েছিল তাদের।


দলটির অধিনায়ক বাবর আজম ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মারেন। মোহাম্মদ হারিস (৬), কুশল মেন্ডিস (৯) ও মাইকেল ব্রেসওয়েল (৪) কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।

তবে পঞ্চম উইকেটে অ্যারন হার্ডি ও আব্দুল সামাদের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলে জালমি। দুজন মিলে ৬০ বলে ৮৫ রানের জুটি গড়েন। বোলিংয়ে ৪ উইকেট নেওয়া অ্যারন ব্যাটিংয়েও দাপট দেখান। শেষ পর্যন্ত ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন অস্ট্রেলিয়ান এই অলরাউন্ডার। সামাদ ৪৮ রানে আউট হওয়ার পরের ওভারেই জয় নিশ্চিত করে ফেলে জালমি। এই জয়ে নয় বছর পর শিরোপা খরা কাটালো তারা। অ্যারন ৩৯ বলে ৯ চারে নিজের ৫৬ রানের ইনিংসটি সাজান।


জালমি এই নিয়ে পঞ্চম বারের মতো ফাইনালে উঠেছিল। এর আগে ২০১৭ সালে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতে তারা। এরপর আরও তিন-চার ফাইনালে উঠলেও একবারও শিরোপা ছোঁয়া হয়নি। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। নাহিদ –অ্যারনের ছোঁয়াতে ৯ বছরের শিরোপা খরা কাটালো তারা।


এর আগে নাহিদ রানা ও অ্যারনের দারুণ বোলিংয়ে হায়দরাবাদ কিংসমেন ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। প্রথম ওভারে কিছুটা এলোমেলো ছিলেন বাংলাদেশি এই পেসার। তবে ঘুরে দাঁড়াতে তিনি সময় নেননি। গতি, বাউন্স আর ইয়র্কারের মিশেলে দুর্দান্ত বোলিং উপহার দিলেন বাংলাদেশের তরুণ এই পেসার। হায়দরাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে তার প্রথম ওভারে আসে ১৩ রান। পরের তিন ওভারে একটি মেডেনসহ ৯ রান দিয়ে তুলে নেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও হুনাইন শাহর উইকেট। সবমিলিয়ে ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচায় তার শিকার দুই উইকেট।


এবারের পিএসএলে একমাত্র বোলার হিসেবে দুটি মেডেন ওভার করেছেন তিনি। ১০ বা তার বেশি ওভার করা বোলারদের মধ্যে ইকোনমি ও গড়ে সবার ওপরে বাংলাদেশের নাহিদ।


নাহিদের পাশাপাশি অ্যারন হার্ডিও দারুণ প্রভাব রাখেন এই ম্যাচে। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন অ্যারন।


জালমির বোলারদের দাপটের সামনে কেবল প্রতিরোধের দেওয়াল তুলতে পারেন সাইম আইয়ুব। তিনি ৫০ বলে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। মারনাস লাবুশেনের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১২৯ রানে অলআউট হয় তারা। পিএসএলের ফাইনালে এর চেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা আছে একটি। ২০১৭ সালে জালমির বিপক্ষে ৯০ রানে অলআউট হয়েছিল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স।

Previous Post Next Post